1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
আলোচিত মা'মলার রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল-স্বপ্না - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই মোটরসাইকেলের সং’ঘর্ষ, নি’হত বেড়ে ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারে যাবেন না আইজেনকোট স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বি’ক্ষোভ তবে অ’বরোধ কমেছে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন: তিন মা’মলায় আ’সামি ৪ হাজার, গ্রে’প্তার ৩০ ৩৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান, অষ্টম শ্রেণি পাসেও আবেদন দাম বাড়ানোর পর কোন সিলিন্ডারের দাম কত গাজীপুরে শ্রমিক আ’ন্দোলনে পুলিশের গু’লিতে হ’তাহতের খবর গুজব ইউক্রেনের আশ্রয়কেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান হা’মলা, নি’হত ২৬ রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ

আলোচিত মা’মলার রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল-স্বপ্না

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • Update Time : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৩০ Time View

আলোচিত মা’মলার রায় শোনার অপেক্ষায় জাতি, আদালতে সোহেল-স্বপ্না

নিজস্ব প্রতিবেদন : রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় রোববার (৭ জুন) ঘোষণা করবেন আদালত। বহুল আলোচিত রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকালেই প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়েছে।দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ায় রায়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারসহ পুরো দেশবাসী।গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসায় আট বছরের রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনাটি সামনে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি ওঠে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার আশ্বাস দেওয়া হয়।

ঘটনার দিনই পুলিশ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে। একই সময়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও আটক করা হয়।পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানাকে প্রধান আসামি এবং স্বপ্না আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়।তদন্তের সময় ডিএনএ ও ফরেনসিক আলামত, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। তদন্ত শেষে গত ২৪ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান।

গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সাক্ষীদের মধ্যে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা-মা, বড় বোন, প্রতিবেশী, তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ছিলেন।৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সোহেল রানা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। স্বপ্না আক্তারও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন।

এরপর ৪ জুন যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ফরেনসিক আলামত ও মামলার অন্যান্য উপাদানের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করে।

বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু আদালতকে বলেন, তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘চেইন অব ফ্যাক্ট’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা আসামিদের অপরাধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ দাবি করেন, মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন নেই, আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়নি। ফলে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে তিনি আদালতের কাছে খালাস প্রার্থনা করেন।

যদিও বিকল্পভাবে তিনি সোহেল রানার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা চেয়েছেন।

মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে তদন্ত, অভিযোগপত্র দাখিল, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন এবং যুক্তিতর্কসহ পুরো বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত কোনো ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় এত দ্রুত বিচারিক অগ্রগতি বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।রায় ঘোষণার আগের দিন শনিবার এক গোলটেবিল বৈঠকে রামিসার বাবা বলেন, তিনি শুধু নিজের সন্তানের হত্যার বিচার চান না, বরং এমন একটি সমাজ ও বিচারব্যবস্থা দেখতে চান যেখানে আর কোনো শিশুকে এমন নির্মম ঘটনার শিকার হতে না হয়।

সূত্র – কাল বেলা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)