আবার কিছু কিছু রাস্তা খোঁড়াখুড়ি করে ইট বালুর খোয়া ফেলে রেখেছে। কোথাও কোথাও ব্রিজ ভেঙ্গে পাইলের কাজ শেষ করে ফেলে রেখেছে কাজ। যার ফলে মানুষের গাড়িতে চলা তো দূরের কথা পায় হেঁটে চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
অথচ এই সমস্ত কাজের অধিকাংশ টাকা তুলে নিয়ে লাপাতা হয়েছে ঠিকাদার এমন অভিযোগ সকলের মুখে মুখে। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে কথা বললে তাদের মাধ্যমে কোন নির্ভরযোগ্য উত্তর পাওয়া যায় না।
এই কাজগুলো যেসব প্রকল্প অধীনে বাস্তবায়নে কথা ছিল তা হল জিওবি, এম, বিজেপি, আইবিআরপি, আর আই ডি পি ৩, সিসিটিএফ, এম ডিএসপি, আই পি সি পি, পি ডি আর আই ডি পি এবং ডি আর আর আই ডব্লু পি প্রকল্প।
এরমধ্যে জি ও বি এম,প্রকল্প অধীনে আস্পদ্দি- দাসেরকাঠি সড়কের ৬১ লক্ষ টাকা কাজ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজ শুরু করেননি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ।
বি জে পি প্রকল্পের অধীনে মোল্লারহাট সাপলেজা সড়ক , পারসাতুরিয়া আদম আলী ব্রিজ সংলগ্ন সড়ক ও ব্রিজের কাজ ২০২২ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল অর্ধেকের বেশি কাজ ফেলে রেখেছেন। যাতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে।
এছাড়াও পার সাতুরিয়া সালেকিয়া মাদ্রাসার সংলগ্ন গার্ডার ব্রিজ, সয়না রঘুনাথপুর শাজাহান মাস্টারের বাড়ির সামনে গার্ডার ব্রিজ,জয়কুল খেয়া ঘাট গার্ডার ব্রিজ, চিরাপাড়া সুবিদপুর রোডে গার্ডার ব্রিজ, জোলাগাতি ফলইবুনিয়া সড়কে গার্ডার ব্রিজ, সদর ইউনিয়নের কেউন্দিয়া সড়কে ডাক্তার মোফাজ্জল হোসেনের বাড়ি সংলগ্ন থেকে উত্তর কেউন্দ্রিয়া সাইক্লোন সেন্টার কাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে মজিদ মৃধা চেয়ারম্যান বাড়ি পর্যন্ত সড়কের সংস্কারে কাজ,গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সবগুলো কাজই অর্ধেকের করে ফেলে রেখেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আই আর আইডিপি প্রকল্পের অধীনে উপজেলার
চিরাপাড়া জি এম স্কুল – ডুমজুরি সড়ক উন্নয়নের
কাজটি মেসার্স ফয়সাল এন্টারপ্রাইজ লাইসেন্সে ২০২০ সালে বাস্তবায়ন করার কথা থাকলেও আংশিক কাজ করে ফেলে রেখেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
অপর দিকে এই প্রকল্পের অধীনেই ইফটি ইটিসিএল প্রাইভেট লিমিটেড হোগলা বেতকা বাজার হয়ে পুলেরহাট সড়ক উন্নয়ন, কাজটিও ২৩ সালে শেষ করার কথা থাকলেও অর্ধেক পরিমাণ কাজ করে ফেলে রেখেছেন। একই ইউনিয়নের ইজিএস শিক্ষা নিকেতন হইতে ধাবড়ী বাজার পর্যন্ত সড়কটির করুণ অবস্থা, রাস্তার মাঝে বড় গর্ত হয়ে গেছে। উক্ত সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হবার পথে।
যার ফলে এই সমস্ত এলাকার সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের চলাচলের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে শিয়ালকাঠি দারুদ সুন্নাত কামিল মাদ্রাসার সাইক্লোন সেলটার নির্মাণ এবং সোনাকুর ফেরিঘাট সড়ক নির্মাণের কাজ ১৮-১৯ সালে শেষ করার কথা থাকলেও কাজ সমাপ্ত না করাই ফেলে রেখেছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।