1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
২০০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় কমিয়ে দিল এনসিটিবি - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই মোটরসাইকেলের সং’ঘর্ষ, নি’হত বেড়ে ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারে যাবেন না আইজেনকোট স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বি’ক্ষোভ তবে অ’বরোধ কমেছে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন: তিন মা’মলায় আ’সামি ৪ হাজার, গ্রে’প্তার ৩০ ৩৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান, অষ্টম শ্রেণি পাসেও আবেদন দাম বাড়ানোর পর কোন সিলিন্ডারের দাম কত গাজীপুরে শ্রমিক আ’ন্দোলনে পুলিশের গু’লিতে হ’তাহতের খবর গুজব ইউক্রেনের আশ্রয়কেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান হা’মলা, নি’হত ২৬ রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ

২০০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় কমিয়ে দিল এনসিটিবি

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • Update Time : বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ৭১ Time View

২০০ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় কমিয়ে দিল এনসিটিবি

নিজস্ব প্রতিবেদন : অতিরিক্ত বই ছাপানো বন্ধনতুন শিক্ষাবর্ষ সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার কার্যক্রমে জোরেশোরে প্রস্তুতি শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। চলতি বছর মাঠ থেকে আসা চাহিদা পাঠানোতে কড়াকড়ি আরোপের ফলে গত বছরের তুলনায় ৪ কোটি বই এবং ২১ লাখ শিক্ষার্থীর চাহিদা কম এসেছে। এই অতিরিক্ত বই ছাপাতে গত বছর ২০০ কোটি টাকা গচ্চা গেলেও চলতি বছর অতিরিক্ত বই ছাপানো বন্ধ হওয়ায় একই পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে। আগামী বছর বইয়ের মান নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে সংস্থাটি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি বছর কত সংখ্যক বই ছাপানো হবে, তা ঠিক হয় উপজেলা, থানা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে আসা বইয়ের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল মাঠ থেকে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেশি বইয়ের চাহিদা আসে। তাই প্রতি বছর গড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি অতিরিক্ত বই ছাপাতে হয়। এতে সরকারের ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হতো। সব জানার পরও এনসিটিবি কার্যত এটা ঠেকাতে উদ্যোগ নেয়নি। এটা ঠেকাতে চলতি বছর বিকল্প কিছু পদ্ধতিতে বইয়ের চাহিদা সংগ্রহ করে এনসিটিবি। এতে গত বছরের চেয়ে ৪ কোটি বই কম ছাপাতে হচ্ছে।এনসিটিবির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এনসিটিবির তৎকালীন সদস্য ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক রবিউল কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গত জানুয়ারি মাস থেকে এই নিয়ে কাজ শুরু করে। তারা তিনটি ভিন্ন পদ্ধতিতে বইয়ের চাহিদা যাচাই করে। প্রথমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাহিদা পাঠানোর সময় সতর্ক থাকতে বলা হয় এবং অতিরিক্ত চাহিদার প্রমাণ মিললে শিক্ষকের এমপিও স্থগিতসহ কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। এরপর মাঠ থেকে আসা চাহিদা শিক্ষাবোর্ড থেকে দ্বিতীয় দফায় মেলানো হয়। যেমন—নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং সারা দেশ থেকে এই শ্রেণির জন্য আসা বইয়ের চাহিদা মিলিয়ে দেখা হয়। তৃতীয়টি ছিল এনসিটিবির নিজস্ব অ্যাপসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে একাধিক ধাপে তা যাচাই করা হয়। এ ছাড়া এনসিটিবি ৩২টি টিম গঠন করে সারা দেশে পাঠায়, যারা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দফায় দফায় মিটিং করেন এবং অতিরিক্ত চাহিদা প্রদান করলে কঠোর শাস্তির বার্তা দেন। এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে শিক্ষক-কর্মকর্তারা সতর্ক হন এবং গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪ কোটি বইয়ের চাহিদা কম আসে। এনসিটিবির উদ্যোগে ৪ কোটি অতিরিক্ত বই কমায় সাধুবাদ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টরা।

এনসিটিবি কর্মকর্তা জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) বৈঠকে ২০২৬ সালের প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদ্রাসা স্তরের বই ও কারিকুলামের অনুমোদন দেওয়া হবে।অতিরিক্ত বইয়ের তথ্য দিয়েছে এমন প্রমাণ মিললে প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন নির্দেশনায় মাঠের প্রকৃত তথ্যটা পেয়েছি। আশা করি এটি ভবিষ্যতের জন্য নমুনা হয়ে থাকবে।

এনসিটিবির তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ৪ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৪০ কোটি ১২ লাখ বই ছাপানো হয়। এর বিপরীতে ২০২৬ সালের জন্য ৪ কোটি ১৯ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ৩০ কোটি ১০ লাখ বইয়ের চাহিদা এসেছে। যদিও এ সংখ্যা ফের যাচাই হলে আরও কমতে পারে। ২০১০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ী, দাখিল ভোকেশনাল, এসএসসি ভোকেশনাল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার বেশি বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করেছে সরকার।

সূত্র – কাল বেলা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)