1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
চট্টগ্রামে খাল খননের নামে দুর্নীতি, বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই মোটরসাইকেলের সং’ঘর্ষ, নি’হত বেড়ে ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারে যাবেন না আইজেনকোট স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বি’ক্ষোভ তবে অ’বরোধ কমেছে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন: তিন মা’মলায় আ’সামি ৪ হাজার, গ্রে’প্তার ৩০ ৩৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান, অষ্টম শ্রেণি পাসেও আবেদন দাম বাড়ানোর পর কোন সিলিন্ডারের দাম কত গাজীপুরে শ্রমিক আ’ন্দোলনে পুলিশের গু’লিতে হ’তাহতের খবর গুজব ইউক্রেনের আশ্রয়কেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান হা’মলা, নি’হত ২৬ রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ

চট্টগ্রামে খাল খননের নামে দুর্নীতি, বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৯৩ Time View

চট্টগ্রামে খাল খননের নামে দুর্নীতি, বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে খাল খননের নামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খাল খননের প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লুটপাট করা হয়েছে, অথচ জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়নি। শহরের খাল-নালার সংস্কার না হওয়ায় জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে নগরীর বহদ্দারহাট বারইপাড়া ও ষোলশহর সুন্নিয়া মাদরাসা খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, “গত কয়েক বছর ধরে নদী, নালা, খাল ও শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা নিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রতি বছর চট্টগ্রাম নগরী পানির নিচে চলে যায়। আমরা চেষ্টা করছি শহরের নালা ও নদীতে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করার। তবে এ বর্ষায় জলাবদ্ধতা কিছুটা কমলেও পুরোপুরি সমাধান পেতে সময় লাগবে। কাজটি রাতারাতি সম্ভব নয়, তবে আমরা এগিয়ে চলেছি।”

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তী বর্ষায় যাতে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে, সেজন্য কাজ করা হচ্ছে। এ বছর আগের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না বলে আশা করছি।”

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “আগের মতো এখন সমন্বয়ের অভাব নেই। সব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে নিয়ে আমরা কাজ করছি। এ মৌসুমে ৪০-৫০ শতাংশ উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুরো প্রকল্পের সুফল পেতে আরও এক বছর সময় লাগবে।”

তিনি আরও জানান, এর আগেও তিনজন উপদেষ্টা জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন, কিন্তু এখনো কার্যকর ফলাফল আসেনি। তবে এবার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চসিক সূত্র জানায়, নগরীর বহদ্দারহাটের বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২.৯৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬৫ ফুট প্রশস্ত নতুন খালটি খননের দায়িত্ব নিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। ২০১২ সালে নগরীর নাসিরাবাদ, মুরাদপুর, শুলকবহর, বহদ্দারহাট, বারইপাড়া ও বাকলিয়া এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ২০১৪ সালের ২৪ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়।

প্রথমে এই প্রকল্পের জন্য ২৮৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও বারবার মেয়াদ বাড়ানোর কারণে ব্যয় বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩৬২ কোটি টাকায়। তবুও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি সিটি কর্পোরেশন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছর জুনে, কিন্তু এখনো কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।

গত ১৯ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের মনিটরিং টিম চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে আসে। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে ১১ দফা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন, যা আগামী মে মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিমসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে বহু বছর ধরে নানা প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও বাস্তবায়নের দীর্ঘসূত্রিতা ও অনিয়মের কারণে নগরবাসী এখনো সমস্যার সমাধান পায়নি। খাল খননের নামে দুর্নীতি ও বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে প্রকল্পের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র – ঢাকা প্রাকাশ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)