তথ্য চিত্র……মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল গলাচিপা, পটুয়াখালী:পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাদ নগর এলাকার কৃষক আব্দুল খালেক গাজির রোপন করা। বি আর ১১ ধানের প্রথম নমুনা ফলন কর্তন শুভ সূচনা করেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পটুয়াখালী খামারবাড়ি উপ-পরিচালক জনাব, মোঃ নজরুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন,বিআর-১১ ধান বাম্পার ফলন হলেও, এতে অন্যা ধানের চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে বলে, কৃষক ভাইদের নিরুৎসাহিত করেন প্রধান অতিথি। তবে, প্রান্তিক কৃষকগোষ্ঠী জন্য সু-সংবাদ হলো, বিআর- ৭৫, বিআর- ৮৬ আমন ধান চাষাবাদ করতে পারলে, আনুমানিক অল্পসময় হেক্টর প্রতি ৪ থেজে ৫ টন ধান আরো ভালো ফলন ঘরে তুলতে পারবেন এবং সঠিক সময়ে চাষিরা আলু চাষাবাদ করে আরো লাভবান হওয়ার’ও পরামর্শ দেন তিনি।
পাশাপাশি, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক এর আদেশ অনুযায়ী জেলার কোথাও ৪০ কেজির উপরে ৪৮/৫০ কেজি হিসেবে ধান ক্রয়- বিক্রয় করতে পারবেনা। যদি কোন পাইকারি মাহাজন নির্দিষ্ট ৪০ কেজির উপরে ধান ক্রয় করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধ প্রচলিত আইনে আনা হবে বলেও কড়া হুশিয়ারি দেন।
এসময় গলাচিপা উপজেলা
কৃষি অফিসার আরজু আক্তার, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ আকরামুজ্জামান, সহকারী কৃষি সসম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির খান, সদর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কার্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও সাংবাদিক মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল সহ বিভিন্ন প্রান্তিক কৃষক ২০২৪ অর্থ বছরের সর্বশেষ বি,আর-১১ ধানের বাম্পার ফলনের নমুনা কর্তন উৎসবে অংশ গ্রহণ করেন।