1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
কৃষকদের সঙ্গে মিলছে না কৃষি অধিদপ্তরের হিসাব - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শক্তি প্রয়োগ করে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা সম্ভব নয়: পেজেশকিয়ান ভাঙ্গায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই মোটরসাইকেলের সং’ঘর্ষ, নি’হত বেড়ে ট্রাম্পের অনুরোধেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারে যাবেন না আইজেনকোট স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বি’ক্ষোভ তবে অ’বরোধ কমেছে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলন: তিন মা’মলায় আ’সামি ৪ হাজার, গ্রে’প্তার ৩০ ৩৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান, অষ্টম শ্রেণি পাসেও আবেদন দাম বাড়ানোর পর কোন সিলিন্ডারের দাম কত গাজীপুরে শ্রমিক আ’ন্দোলনে পুলিশের গু’লিতে হ’তাহতের খবর গুজব ইউক্রেনের আশ্রয়কেন্দ্রে রাশিয়ার বিমান হা’মলা, নি’হত ২৬ রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ

কৃষকদের সঙ্গে মিলছে না কৃষি অধিদপ্তরের হিসাব

নিজস্ব প্রতিবেদক।
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৭৫ Time View

কৃষকদের সঙ্গে মিলছে না কৃষি অধিদপ্তরের হিসাব

নিজস্ব প্রতিবেদক।

বরিশালের আব্দুল আজিজ রতন মোল্লাহ নিজের দেড় একর জমির সুপারির বাগান এ মৌসুমে বিক্রি করেছেন ৩০ হাজার টাকায়। মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আজিমপুর গ্রামের এ বাগান মালিক গত বছর একই বাগান বিক্রি করেছিলেন ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়। আব্দুল আজিজ বলছেন, এ বছর সুপারির ফলন অনেক কম হয়েছে। একই তথ্য দিচ্ছেন হিজলা উপজেলার কাউরিয়া গ্রামের বাগান মালিক সৈয়দ আহসান হাবিব। তিনি জানান, গত বছর যে বাগান থেকে ৮০ হাজার টাকার সুপারি বিক্রি করেছেন, এ বছর একই বাগান বিক্রি হয়েছে ২০ হাজার টাকার। এ বাগান মালিক জানান, বাগান বা গাছে কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি তার। তবে এ বছর বৃষ্টি বেশি হওয়ায় সুপারির ফলন কম হয়েছে। তবে বাগান মালিক ও কৃষকদের তথ্যের সঙ্গে মিলছে না বরিশাল আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য। কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত বছরের তুলনায় এবার ফলন বেশি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য থেকে রিপোর্ট প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। তবে মাঠের তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা হয়, এমন প্রশ্নের ব্যাখ্যা নেই তাদের কাছে। কয়েকজন কৃষক ও বাগান মালিককে জিজ্ঞেস করা হলে তাদের মধ্যে সবাই জানান, কোনো কর্মকর্তাই তাদের কাছে তথ্য সংগ্রহ করতে যাননি।

আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর বরিশাল বিভাগে সুপারির মৌসুমে ১৭ হাজার ৬৯ দশমিক ৫ হেক্টর জমির বাগানে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৭ দশমিক ৪ টন সুপারি উৎপাদন হয়। আর এ বছর ১৭ হাজার ৭৮৮ হেক্টরে উৎপাদন হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৭০৭ টন সুপারি। গত বছর হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছিল আট টন। এ বছর হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছে ১০ টন। তবে কৃষি অধিদপ্তরের এ হিসাব ব্যবহারিক নয় বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। তারা বলছেন, এ বছর তো বটে, গত ১০ বছরেও কোনো কৃষি কর্মকর্তা জমির পরিমাণ বা সুপারি উৎপাদন বিষয়ে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেননি। জেলার মেহেন্দিগঞ্জ, মুলাদী, হিজলা, বাবুগঞ্জসহ ১০ উপজেলার একাধিক বাগান মালিকের বক্তব্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আজগুবি কাগুজে হিসাব তৈরি করেছে।

এ বিষয়ে বরিশাল আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘জেলা ও উপজেলা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা রিপোর্ট তৈরি করে অধিদপ্তরে পাঠাই। উপজেলা ও জেলা কৃষি কর্মকর্তারা কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করেন, তা আমার জানা নেই।’

তবে এ বছর আগের তুলনায় সুপারির ফলন কম হয়েছে বলে স্বীকার করেন বরিশাল আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার। তথ্যবিভ্রাট বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের তথ্য কে কোথায় পেয়েছে তা জেলা কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে।’

সূত্র – বণিক বার্তা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)