আপনার প্রচুর সামর্থ্য থাকলেও সন্তানকে “অভাব” শেখান। যা চাইবে তাই যদি হাজির করেন, আপনার বাচ্চার “মানুষ” হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। যেমন ;এখনকার ছেলে-মেয়েরা বাবা-মার কথাই সনে না কারণ আপনারা ধর্মীয় নৈতিকতা শিক্ষা দিতে পারেন না তাই সন্তানদের ভবিষ্যতে অন্ধকার রয়ে যায় বড়দের সম্মান করতে জানে না ছোট দের স্নেহ ও ভালোবাসতে জানে না,ছাত্র জীবনে স্যারদের সম্মান করতে পারে না তবে ছেলে মেয়েরা নিজেকে প্রতিষ্ঠিত মনে করে কিন্তু সাধারণ মানুষের মতন চলতে পারে না। বাস্তবের খুব কঠিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে না কারণ তারা শিক্ষিত ঠিকেই হয় কিন্তু সুশিক্ষিত হতে পারে না মানুষ ঠিকেই হয় তবে মানুষের মতো মানুষ হতে পারে না শুধু মনের মধ্যে অহংকার বাসা বাঁধে তবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অনেক তেগ শিকার করতে হয়, কথায় আছে বেশি শিক্ষিত ছেলে-মেয়ারা পরে বিদ্ধ বয়েসের বাবা-মাকে অনাথ আশ্রমের রেখে আছে তার কারণ হলো বাবা-মায়ের কষ্ট বুঝতে শিখে নায় ছেলে মেয়েদের প্রতিষ্ঠিত করতে সুখশান্তি বিলিয়ে দিয়েছে সেটা ছেলে মেয়েরা নৈতিক শিক্ষা না পাওয়া কারণে ছেলে মেয়েরা প্রতিষ্ঠিত হয়া পরে ও বিদ্ধ বয়সে বাবা-মা ছেলে মেয়ে নিয়ে সুখশান্তিপূর্ণ জীবন জাপান করতে পারে।
ক্ষুধা নিবারন করার জন্য মানুষকে যে পরিমাণ ব্রেইন ব্যবহার করতে হয়, তাতেই একজন মানুষ যা অর্জন করে এটা দিয়ে সে জীবন পার করে দিতে পারবে। সন্তানকে এমনভাবে প্রস্তুত করেন যেনো আপনি না থাকলে সে কিভাবে চলবে তার ট্রেনিংটা সে পায়। তাকে কোন কিছু করতে না দিয়ে ঢেকি বানালে, সে আপনার অবর্তমানে কষ্ট-তো পাবেই, আপনাকেই সবচেয়ে বেশি দোষারোপ করবে।
অনেকেই বলেন—- পরে এমনিতেই সব শিখে যাবে।
কিন্তু একটা মানুষ হঠাৎ করেই মানুষ হয় না, আস্তে আস্তে মানুষ হয়!
কারন আপনি যখন থাকবেন না, দুনিয়ার কঠিন পথ তাকে একা চলতে হবে। সেই একা চলার ট্রেনিংটা তাকে শক্ত করবে, আপনিও দেখবেন হাল্কা ফিল করবেন! আপনার সন্তানকে শেখান চাইলেই সব কিছু পাওয়া যায় না। সব কিছু পাওয়ার দরকারও নাই…
কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত জিনিসের মূল্য বোঝান। তাকে বোঝান সবকিছু ছাড়াও জীবন চলে।