ইরানের বিমান খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও নেটওয়ার্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার আরোপ করা এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের বিমান সংস্থা এবং তেহরানের বিমান খাতকে সহায়তা করা বিদেশি কোম্পানি ও মধ্যস্থতাকারীরাও রয়েছে।মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির নিষেধাজ্ঞা ও সন্ত্রাসবিরোধী দপ্তর ইরানের সক্রিয় বিমান সংস্থাগুলোর পাশাপাশি মাহান এয়ারকে সহায়তা করা বিদেশি কোম্পানি ও মধ্যস্থতাকারীদের লক্ষ্য করেছে।এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি উড়োজাহাজ, যন্ত্রাংশ ও সংবেদনশীল প্রযুক্তি সংগ্রহে ব্যবহৃত বিভিন্ন ফ্রন্ট কোম্পানি, বিদেশি মধ্যস্থতাকারী এবং পণ্য পরিবহনের পথও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।
তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাজাখস্তান ও মালয়েশিয়ার কয়েকটি কোম্পানির বিরুদ্ধেও ইরানের বিমান চলাচল নেটওয়ার্ককে উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ, সংগ্রহে সহায়তা ও সরবরাহসেবা দেওয়ার অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন।মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক অপরাধবিষয়ক সংস্থাও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সতর্কতা জারি করেছে। এতে ইরানের বিমান খাতের জন্য সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক অভিযানের অংশ হিসেবে এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট এই অভিযান শুরু করে ওয়াশিংটন। এর লক্ষ্য ইরান সরকারের অর্থনৈতিক সম্পদ ও আর্থিক সহায়তার উৎসগুলো বিচ্ছিন্ন করা।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করার ঝুঁকি রয়েছে।
মাহান এয়ারের ওপর এর আগেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২০১১ সালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কুদস ফোর্সকে আর্থিক, বস্তুগত ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে সংস্থাটিকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে যুক্তরাষ্ট্র।
সূত্র: শাফাক নিউজ এজেন্সি