পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তর বিএসএফের
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি::ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারানো যুবক ওয়াশিমের লাশ অবশেষে তিন মাস পর স্বদেশের মাটিতে ফিরল। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় বিএসএফ আজ (৫ জুলাই) দুপুরে লাশটি ৫৮ বিজিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে।
নিহত ওয়াশিম (২৫) উপজেলার নেপা ইউনিয়নের বাঘাডাঙ্গা গ্রামের রমজান আলীর ছেলে।
প্রায় তিন মাস আগে পলিয়ানপুর সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে নিহত হন ওয়াশিম। দীর্ঘ সময় ধরে লাশ ফেরত পেতে পরিবারসহ স্থানীয়রা ছিল হতাশ ও শোকাহত। কিন্তু মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮) বিজিবির নিরলস প্রচেষ্টা ও কূটনৈতিক যোগাযোগের ফলে শেষমেশ আয়োজিত হয় পতাকা বৈঠক।
এসময় বিজিবি, পুলিশ প্রশাসন এবং উভয় দেশের সীমান্ত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির পক্ষ থেকে লাশ গ্রহণের পর তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শোকার্ত পরিবারের সদস্যরা চোখের জলে প্রিয়জনকে গ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা বলেন, “যদিও অনেক দেরি হয়েছে, তবু আমরা কৃতজ্ঞ—অন্তত সন্তানের মরদেহটা তো পেলাম।”
অনেকে বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “৫৮ বিজিবি অধিনায়কের প্রচেষ্টাতেই এটি সম্ভব হয়েছে। আমরা তাঁর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”
এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও সীমান্তে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এবং জীবন-মূল্যের গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।