পিরোজপুর প্রতিনিধি।
নেছারাবাদে ভৌতিক বিল বন্ধে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-ছাত্রীরা
পিরোজপুর নেছারাবাদের কৌরিখাড়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ভৌতিক বিল ও সকল ধরনের অনিয়ম বন্ধের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। এসময় তারা বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের কথা তুলে ধরেন এবং অনতিবিলম্বে তার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার জোনাল অফিসে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা অবস্থানের সময় বিদ্যুৎ সেবাকে আরো ত্বরান্বিত করার জন্য ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে এ সময়ে ১২ দফা পেশ করেন।
১২ দফা গুলো হলো:
১। চাহিদা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ জোগান দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।
২। রিডিং ছাড়া বিদ্যুৎ বিল দেওয়া যাবে না। মিটার রিডিং এর উপরে বিশেষ নজরদারি।
৩। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
৪। সকল মিটারের সঠিক বিদ্যুৎ বিল আদায় পাশাপাশি সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণে প্রয়োজনে ছাত্রজনতা এবং প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করা।
৫। চিকিৎসা সংক্রান্ত বা জনগনের সেবায় নিয়েজিত প্রতিষ্ঠানে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ
৬। দালাল মুক্তকরণ এবং সংযোগের নামে ঘুষ বন্ধ করা।
৭। ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিন ও যে কোন রাষ্ট্রীয় উৎসবে লোডশেডিং কমানো।
৮। নামাজের ওয়াক্তে লোডশেডিং বন্ধ করা।
৯। পৌরসভার সাথে ইউনিয়নগুলোর লোডশেডিং এর সমন্বয় করতে হবে।
১০। অটোরিকশা থেকে শুরু করে যে সকল পরিবহন চার্জে চালিত সেখানে অবশ্যই বানিজ্যিক মিটার দিতে হবে।
১১। বর্ষাকালে অহেতুক লোডশেডিং বন্ধ করতে হবে।
১২। অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক লাইনগুলো সরিয়ে, পরিকল্পিতভাবে পুনরায় প্রতিস্থাপন করতে হবে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের প্রশ্নের জবাবে এসময় পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান বলেন, উক্ত অফিসে সর্বমোট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৭৩ হাজার। সে তুলনায় জনবলের অভাব রয়েছে তাই কোন কোন ক্ষেত্রে অফিসের লোকজন গ্রহকদের বাড়িতে না গিয়েই মিটারের রিডিং নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে একাধিক কর্মীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। পুনরায় যদি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।