স্টাফ রিপোর্টার, পিরোজপুর।
মানবিক ও দক্ষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে আগে থেকেই পরিচিতি পেয়েছেন নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজান গাজী। সম্প্রতি দেশব্যাপী কোটা বিরোধী আন্দোলন ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে তার দূরদর্শিতায় কোন প্রকার সহিংসতা ছাড়াই রক্ষা পেল ইউনিয়নের হাজারো পরিবার। তাই দলমত নির্বিশেষে সব মহলের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে নানা সমস্যা ও অনিয়মসহ দূর্নীতিতে জর্জরিত ছিলো এই ইউনিয়ন পরিষদ। এক সময় পুরো ইউনিয়ন জুড়ে ছিলো অগোছালো এবং জনসাধারণের জনদুর্ভাগের শেষ ছিল না। রাস্তাঘাট ছিল খানাখন্দে ভরা এবং পুল-কালভার্ট ছিল ভাঙ্গাচুরা, যা দিয়ে চলাচলে জনসাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। কিন্তু সেই চিত্র এখন আর চোখে পড়েনা। গ্রামীণ জনপদে উন্নত সেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান গাজী মিজানুর রহমান মিজান। খুব অল্পসময়ের মধ্যে অনেকগুলো দৃশ্যমান উন্নয়ন করে ইউনিয়নবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন এই সফল চেয়ারম্যান।
একাধিক ওয়ার্ড মেম্বার ও সংরক্ষিত নারী মেম্বার জানান, গাজী মিজানুর রহমান মিজান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদসহ জনসাধারণের মাঝে যে উন্নয়ন হয়েছে তা এর আগে কোন দিন হয়নি। এমনকি কোন চেয়ারম্যান জনগণের জীবন মানোন্নয়নের কথা ভাবেননি। অতীত যারা এসেছে তারা শুধু নিজের আখের গুছিয়েছে। শুধু তাই না, অতীতের চেয়ারম্যানরা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারী ও মেম্বারদের বেতন ভাতা পর্যন্ত ঠিক মতো দিতেন না। আর এখন তিনি জয়ী হবার পর থেকে ইউনিয়ন বাসীর উন্নয়ন তো আছে সেই সাথে কারো বেতন ভাতা বকেয়া রাখেন না এ চেয়ারম্যান।
চেয়ারম্যান গাজী মিজানুর রহমান মিজান বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সরকার পতনের পরবর্তীতে দেশে যখন পরিস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয় তখন আমাদের ইউনিয়নে কোন ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেনি। এই ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক সংখ্যা বেশি। কোন হিন্দুদের বাড়ি আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি। হিন্দুদের উপাসনালয় হতে শুরু করে তাদের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব আমার। তাই সকলকে গুজবে কান না দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদে আসা সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা জনগণের মাঝে বিতরণ করি। কিন্তু একটি গ্রুপ ভোটে হেরে আমাকে অপদস্ত করতে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। আমি বারবার হিংসার রাজনীতির শিকার হচ্ছি। তাদের ষড়যন্ত্রে যেমন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাঁধাগ্রস্থ হয় তেমনি জনগণও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে শত বাধা আসলেও আমি জনগনের কল্যানে কাজ করতে কখনও পিছপা হবো না। ইউনিয়নবাসীর সেবা করে আমি বেঁচে থাকতে চাই।