ষ্টাফ রিপোর্টার:মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিল্লা গ্রামে ১১ দিন পর ২৫ মে রবিবার দুপুরে তিল্লা গ্রামের খালের পাশে একটি ঝোপের মধ্যে নিখোঁজ বৃদ্ধ আব্দুর রহিম সরদারের কঙ্কাল দেখতে পায় তার’ই ছোট ছেলে মোস্তফা সরদার।
এখবর শোনার পরে পরিবারের সকল এবং স্থানীয়রা এসে কঙ্কালের পাশে পরে থাকা লুঙ্গি ও টুপি দেখে শনাক্তে করে এটা নিখোঁজ হওয়া ৮৫ বছর বয়সের বৃদ্ধ আব্দুর রহিম সরদার ছিলেন।খবর পেয়ে বিকেল ৫টার দিকে কঙ্কালটি উদ্ধার করে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, আব্দুর রহিম সরদারের বাড়ি ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের তিল্লা গ্রামে। তিনি তার তিন ছেলেদের সাথে ভাগাভাগি করে থাকতেন। সর্ব শেষ নিহত আব্দুর রহিম সরদারের ছোট ছেলে মোস্তফা সরদারের বাড়ি থেকে পার্শবর্তী গ্রাম হরিদ্রখালীতে বড় ছেলে মন্নান সরদারের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর ঠিক কবে তিনি নিখোঁজ হন? এটা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারছেনা তার পরিবার। এছাড়া নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কোন ছেলে’ই থানায় সাধারণ ডায়রী করেনি। তবে গত তিন দিন পূর্বে তারা টের পান তিনি কোথাও নেই। এরপরই শুরু হয় খোঁজাখুঁজি।
পরিবারের ধারণা করছেন, তিনি প্রায় ১১ দিন নিখোঁজ ছিলেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের তথ্যে জানা যায়, নিখোঁজ বৃদ্ধ আব্দুর রহিমের লাশের কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া ছোট ছেলে মোস্তফা সরদার জানান, তার বাবা হৃদরোগে ভুগছিলেন। হয়তো অসুস্থ অবস্থায় ঝোপে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পরে হিংস্র পশু মৃত লাশ ছিন্নভিন্ন করে ফেলতে পারে বলে ধারণা করছেন। তবে, স্থানীয় কয়েকজনের মতে, বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়তো পরিবারের সদস্যরা তার তেমন খোঁজখবর রাখেননি। অবহেলার কারণেই হয়তো এমন কিছু হতে পারে। এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারৎ হোসেন বলেন, তিল্লা গ্রামের একটি ঝোপঝাড়ের ভেতর থেকে একজন মৃত ব্যাক্তির কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। কঙ্কালের সাথে কোনো গোশত ছিল না। কঙ্কালটির পাশে থাকা টুপি-লুঙ্গি দেখে পরিবারের লোকজন শনাক্ত করেছে এটি বৃদ্ধ আব্দুর রহিমের লাশ। আমরা ডিএনএ সংগ্রহ করেছি এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মৃত্যু কারণ বলা যাবে । এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।