দেশে দেশে বি*ক্ষোভ-প্রতিবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদন : বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গত বছর জুলাইয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছিল বাংলাদেশে। সেই কর্মসূচি ঘিরে সহিংসতা হয়। পরে ওই বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পতন হয়। এরপর এ আন্দোলন বিশ্বজুড়ে আলোচনা তৈরি করেছে। এ অগ্রগতির জন্য ২০২৪ সালে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর বিবেচনায় বাংলাদেশ বিশ্বের সেরা দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ওই গণআন্দোলনের পর দেশে দেশে ক্ষমতা ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের তীব্র আন্দোলন তৈরি হয়েছে। কোথাও সরকারের পতন হয়েছে, কোথাও ভিত নড়েছে স্বৈরাচারের। কেউ পালিয়ে গেছেন মিত্রদেশে। কোনো কোনো দেশে বাধ্য হয়ে নীতি বদলিয়েছেন প্রভাবশালী শাসকরা। এসব নিয়ে পুরো পাতার আয়োজন লিখেছেন হুমায়ূন কবির
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০২৪ সালে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। নির্বাচনে জালিয়াতি, দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং নীতি পরিবর্তন ও সরকারের পদত্যাগ দাবিতে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতেও আন্দোলন হয়। দ্য গ্লোবাল প্রোটেস্ট ট্র্যাকারের তথ্যমতে, ওই বছর সারা বিশ্বে ১৬০টির বেশি বড় আন্দোলন হয়েছে। ৪৫টির বেশি দেশে বিক্ষোভ, সমাবেশ হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ও সিরিয়ার সরকারের পতন হয়েছে। জর্জিয়া, ভেনেজুয়েলার মতো কয়েকটি দেশে ক্ষমতার পরিবর্তন না হলেও সেসব দেশের সরকারকে ব্যাপক নাড়া দিয়ে গেছে।
সূত্র – কাল বেলা