বাবুগঞ্জ বরিশাল সংবাদদাতাঃ
বরিশালের বাবুগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অফিসের অধীনস্থ গ্রাহকদের ভুতুড়ে বিল এখনও বন্ধ হয়নি। নিয়মিত আসা বিলের তিনগুন থেকে দ্বিগুন বিল নিয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিসে যাচ্ছেন। ভুতুড়ে বিলের বিষয় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্ষুদ্ব কন্ঠে পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি করছেন। তবে পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপর্ক্ষ বলছেন, মিটার রিডারদের খামখেয়ালিপনার কারনে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানা। জানা যায়, বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রায় ৬০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি সেরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গ্রাহকদের সেপ্টেন্বর মাসে নিয়মিত বিলের চেয়ে দ্বিগুন বিল এসেছে। এছাড়া আগষ্ট মাসে গ্রাহকের বিল এসেছিল তিনগুন। সোমবার বাবুগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘুরে দেখা যায়, বিল নিয়ে অনেক গ্রাহক দাড়িয়ে রয়েছেন। অনেকের হাতে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ নিয়ে কর্মকর্তাদের কাছে যাচ্ছেন। ক্ষুদ্ব গ্রাহকরা জানান জেনালের ম্যানেজার ভালো মানুষ কিন্তু তার মিটার রিডারসহ অন্য কর্মচারীরা গাফলতি করছে। অতিরিক্ত বিল দিয়ে গ্রাহকদের হয়রানি করছে। অধিক অর্থ গুনতে হচ্ছে। উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে কথা হয় বিদ্যুৎ অফিসে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, তার এবং তার বাড়ির কোনো মাসের বিল বাকি নেই। জুলাই মাসে বিল দিয়েছে ৩শত টাকা আগষ্ট মাসে বিল দিতে হয়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা এবং তার আরেক ভাই জুলাই মাসে বিল দিয়েছে ৩৭৬ টাকা আগষ্ট মাসে বিল দিতে হয়েছে ১৫শত ৩৮ টাকা। আবার সেপ্টের মাসে তার বিল গুনতে হচ্ছে ৭৯৬ টাকা। এসব বিল পেয়ে তিনি হতবাক। দলিল লেখক ফারুক খান বলেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ভুতুরে বিল কবে নাগাত সমাধান হবে তা কেই জানে না। এধরনের অভিযোগ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে আসা অধিকাংশ গ্রাহকের। এ ভাবে উপজেলার অসংখ্য বিদ্যুৎ গ্রাহক ভুতুড়ে বিল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অভিযোগের বিষয় বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিÑ২ এর জেনারেল ম্যানেজার সাদেকুর রহমান এ প্রতিনিধিকে বলেন কিছু মিটারের সমস্যা রয়েছে, মিটার রিডারদের গাফলতিও থাকতে পারে,তাছাড়া কোনো গ্রাহকের যদি ভুলক্রমে বিল বেশি হয়ে থাকে তাহলে মিটার রিডিংয়ের ভিডিও নিয়ে অফিসে এলে সেটি দেখে সংশোধন করে ওেয়া হবে।