এস.এম.শামীম দিঘলিয়া খুলনা।
দিঘলিয়ায় দানবীর এম এ মজিদ সাহেবের রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক ১০ লক্ষ্য টাকার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় মরহুম মজিদ পুত্র এস.এম. এ মতিন বাদী হয়ে খুলনা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ।
এলাকাবাসী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়,
১৯৩৭সালে ডিসেম্বর মাসের ১২ তারিখ দিঘলিয়া গ্ৰামে জন্মগ্রহণ করেন দানবীর এম এ মজিদ জীবন দশায় অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদরাসা, ক্লাব সহ সামাজিক বেষ্টনী তৈরি করে রেখে গেছেন। তার প্রতিষ্টিত
দিঘলিয়া এম এ মজিদ সরকারি ডিগ্রি কলেজ , দিঘলিয়া এম এ মজিদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দেয়াড়া আয়তুন্নেসা বালিকা বিদ্যালয়, ফুলবাড়ী গেট এম এ মজিদ ইউসেপ স্কুল , মসজিদ, মাদ্রাসা , ক্লাব সহ অসংখ্য সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে রেখে ১৯৯৪ সালে ১৭ অক্টোবর পরপারে চলে যান।
এই গুণী ব্যক্তি আজ পৃথিবীতে নেই কিন্তু তার কর্ম মানুষকে অনুপ্রাণিত করে শিক্ষা ও সামাজিক বন্ধনের এক দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করে গেছেন। যুগ যুগ ধরে মানুষ তাকে স্মরণ রাখবে । কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই গুণী ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে বপন করা বৃক্ষ জোরপূর্বক ভাবে কেটে নেওয়া হচ্ছে প্রকাশ্য দিবালোকে। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরাতন ১০ টি মেহগনি গাছ কেটে নিয়েছে যার আনুমানিক মূল্য ১০ লক্ষ্য টাকা। পিতার স্মৃতি বিজড়িত গাছগুলি কেটে নেওয়ায় খোভ জানিয়েছেন তিনি।
এঘটনায় মরহুম মজিদ পুত্র এস.এম. এ মতিন বাদী হয়ে খুলনা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন । মামলার আসামীরা হচ্ছে, সাদিক শেখ (৩৮), রুহুল শেখ ( ৪০), মরিয়াম বেগম (৪৫), আজাদ (৪২), রফিকুল ইসলাম (৪০), শফি (৩৫), রাব্বি ( ২৮), অলিয়ার রহমান (পটো) (৩২) এছাড়া অজ্ঞত ৭-৮ জন রয়েছে। মামলাটি তদন্ত ভার পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো পি আই বিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান।