বরিশাল প্রতিনিধি।
বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার, সৈয়দের গাও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম বন্ধের ১ দফা দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা। এসময় তারা বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের কথা তুলে ধরেন এবং অনতিবিলম্বে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
রবিবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়ন সাধারণ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা স্কুলে অবস্থান করেন। এ সময় স্কুলের সুশৃঙ্খলা আনতে এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির বন্ধ করার জন্য ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করেন । এই সময় স্কুল প্রতিষ্ঠা পরিবারের সন্তান ,সুশীল সমাজের সমন্বয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই সময় প্রধান শিক্ষককে আগামী ৩ মাসের সময় বেধে দেওয়া হয় ।
এই ৩ মাস সময়ে মনিটরিং করবেন ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা যদি মনিটরিং এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। তাহলে সে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন, বলে কথা দিয়েছে প্রধান শিক্ষক। দৈনিক আজকের শিরোনামের টিম ঐ
স্কুলের অনুসন্ধানে গেলে জানা যায় ভিন্ন কিছু স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য নিজের পরিচয় গোপন রেখে বলেন- প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে – ম্যানেজিং কমিটি সাথে মিলেমিশে প্রতিনিয়ত শূন্য পদে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেন তার হাত থেকে রেহাই পাইনি তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী চার জন তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগে বিশাল দূর্নীতি কথা তুলে ধরেন,স্কুলের (আয়া) (অফিস সহায়ক) ( নিরাপত্তা কর্মী) ( কম্পিউটার সহায়ক) এদের কাছ থেকে তিনি ও তার কমিটি প্রায় ২০ লহ্ম টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে স্কুলে নিয়োগ বাণিজ্য ও বিভিন্ন খাতের অনিয়ম সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করার দাবী করেন সেই দাবি গুলোর সাথে একত্ববাদ ঘোষণা করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, আনোয়ার হোসেন।
ঐ সময় উপস্থিত ছিলেন মুলাদী উপজেলা স্কুলের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সমন্বয়ক-রা ও প্রাক্তন ছাত্র এস এম জাহিদ হাসান, মুলাদী কলেজের প্রাক্তন ছাত্র ঢালী মহিউদ্দিন এবং স্কুলের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সমন্বয়ক -ফয়সাল খাঁন,,রুমেল মাতুব্বর, রাবু সরদার, সুফিয়ান ঢালী, রিয়াজ হোসেন, নয়ন মীর, টিটু আকন, হিরন খাঁন ।সৈয়দের গাও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্যতম সমন্বয়ক ও প্রাক্তন ছাত্র দৈনিক আজকের শিরোনাম কে বলে আমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত আছি এবং আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে এবং স্কুলে নিয়োগ বাণিজ ও বিভিন্ন খাতের অনিয়ম সাথে যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার জন্য জনসম্মুখে দার কারানো হবে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক, আনোয়ার হোসেন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন , স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে দুর্নীতি হয়েছে ,সাবেক ম্যানেজিং কমিটির বাইরে আমার কোনো কিছু করার ছিলো না।এ ব্যাপারে এলাকাবাসী মৌখিকভাবে সতর্ক করে বলেন দ্রুত সময়ের মধ্যে দুর্নীতি মুক্ত স্কুল চাই । পুনরায় যদি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গ্রহণ করবেন বলে হুঁশিয়ার।