কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি।
পিরোজপুরের কাউখালীতে ২৫ আগস্ট রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলা সদর ইউনিয়নের জয়কুল এম মতিউর রহমান কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এর বিভিন্ন অনিয়ম, দূর্ণীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী তার অপসারনের দাবীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কমসূচি পালন করে।
এসময় বক্তব্য রাখেন, অত্র বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেনীর ছাত্র ফাহাদ তালুকদার, আফ্রিদি, দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র জালিজ মাহমুদ, শিক্ষার্থী মাহমুদুর রহমান, এলাকাবাসী জাহিদ হোসেন প্রমূখ্। বক্তারা অধ্যক্ষের বিভিন্ন অনিয়ম দূর্ণীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এর কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা আরও বলেন এই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ২০১৭ সালে জাল জ্বালিয়াতি করে কাগজপত্র জমা দিয়ে নিয়োগ বোর্ডের সদস্যদের চোখে ধুলো দিয়ে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ লাভ করেন। পরবর্তী সময় বেতন ভাতা করার জন্য কাগজপত্র জমা দিলে তার জাল জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে।
ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম হোসেন জানান, যে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করার পর থেকে ওই স্কুল এন্ড কলেজে বিভিন্নভাবে তিনি অনিয়ম দুর্নীতির শুরু করেন। তার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় প্রতিবাদ করলে তিনি সুকৌশলে নতুন কমিটি না করে বেআইনিভাবে কয়েক দফায় এডহক কমিটি গঠন করে তার খেয়াল খুশি মতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং শিক্ষক কর্মচারীদের জিম্মি করে নানা অজুহাতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন।
সরকারি বিধিবিধানের তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন সভায় ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষার ফরম ফিলাপ, প্রবেশপত্র, প্রশংসাপত্র সহ ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন কাজে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে নিজে আত্মসাৎ করেন। প্রতিষ্ঠানের নামে জমাকৃত লক্ষ লক্ষ টাকা নিজ খেয়াল খুশি মত ভুয়া বিল ভাউচার এর মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন বলেও জানান সাবেক সভাপতি সেলিম হোসেন।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ সঠিক নয় পুরোটাই ভিত্তিহীন। স্বার্থন্বেষী একটি মহল তাকে হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন সময় অভিযোগ দিয়ে থাকেন।