1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
সৈয়দেরগাঁও মাঃ বিঃ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পদত্যাগের দাবি প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ কাউখালীতে আগাম লাউ চাষে বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক, এলাকায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত মামুন খান লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল ফেরত চাওয়ায় মা’রধরে ব্যবসায়ীর মৃ’ত্যু পোশাকশ্রমিকদের বি’ক্ষোভ: মিরপুরে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বি’ক্ষোভ-অ’বরোধ, ভা’ঙচুর অর্ধশতাধিক যানবাহন-দোকানপাট মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখতে হবে যেভাবে ইসলামী আন্দোলন রাজনীতিতে এক শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে : চরমোনাই পীর ইয়েমেনে হুতিদের স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হা’মলা ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আ’গুন দেওয়ার স্বীকারোক্তি, যুবক আ’টক গাইবান্ধায় ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে মাদ্রাসা পরিচালক গ্রে’প্তার

সৈয়দেরগাঁও মাঃ বিঃ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পদত্যাগের দাবি প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা

বরিশাল প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ৪৪২ Time View

বরিশাল প্রতিনিধি।

সৈয়দের গাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের, প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন দুর্নীতি ও অসৎ আচরণ এবং কমিটি বাণিজ্য কে কেন্দ্র করে ।  প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তার দূর্নীতি নিয়ে একেরপর এক অভিযোগ তুলে ধরে তার পদত্যাগ চেয়ে ঝড় তোলেন সোশ্যাল মিডিয়া।

ঐ  স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য নিজের পরিচয় গোপন রেখে বলেন-  প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন  দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে – প্রতিনিয়ত শূন্য পদে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেন তার হাত থেকে রেহাই পাইনি তৃতীয় কর্মচারী  এবং  চার জন তৃতীয় কর্মচারী নিয়োগে দেখা গেছে বিশাল দূর্নীতি  (আয়া) (অফিস সহায়ক) ( নিরাপত্তা কর্মী) ( কম্পিউটার সহায়ক) এদের কাছ থেকে তিনি ও তার কমিটি প্রায় ২০ লহ্ম টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ঐ স্কুলের   প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা  তার দূর্নীতি নিয়ে একেরপর এক অভিযোগ তুলে ধরে তার পদত্যাগ চেয়ে শতাধিক আইডি থেকে চেয়ে ঝড় তোলেন সোশ্যাল মিডিয়া। তাদের পোস্ট হুবাহু তুলে ধরা হলো –

 

স্কুল প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সন্তান ও প্রাক্তন  ছাত্র মো. ফয়সাল খান তার   নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন-

 

প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন কে   ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে সতর্ক করেছেন , এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুর্নীতির কথা স্বীকার করে  সসম্মানে পদত্যাগ না করলে , অন্যথায় এলাকার মানুষ কঠোর আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে  পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হবে।।

এবং গত ১৩ আগস্ট  আর একটি পোস্ট করে ফেসবুকে লিখেছেন -সৈয়দের গাও মাধ্যমিক বিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে স্কুলের ফান্ডের হিসাবটা নিতে হবে, তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অনেক অভিযোগ আছে, নিয়োগ বাণিজ্য, ভাউচার কেলেঙ্কারি এবং তার অনৈতিক হিসাব রাখার জন্য হিসাব বিজ্ঞানের টিচার কে এক্সট্রা টাকা পেমেন্ট করে সেটাও আবার স্কুলের ফান্ড থেকে , এই বিষয় কোন টিচার কথা বললে তাকে বিভিন্নভাবে প্রধান শিক্ষকের পাওয়ার দেখিয়ে হেনস্থা করা হয়, তাছাড়াও শিক্ষার মান, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য সব বিষয় সে প্রশ্নবিদ্ধ, এত পরিমাণ দুর্নীতি করছে যে বলে শেষ করতে পারবো না, আর এই বিষয়গুলো তদারকি করার দায়িত্ব হল স্কুল কমিটির, তারা কতটুকু যোগ্যতা রাখে সেটা আপনারা ভালো করেই জানেন, আমাদের স্কুলটাকে আমরা বাঁচাতে চাই সেজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করছি, এখনই সময় স্কুলটাকে নতুন করে সাজানোর। প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দ এলাকার মুরুব্বী যুব সমাজ, এবং ছাত্র ছাত্রী সবাই সম্মিলিতভাবে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ দাবি করি এবং জবাবদিহিতামূলক কমিটির মাধ্যমে নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করি।

 

ঐ স্কুলের  অপর এক প্রাক্তন ছাত্র  এস এম জাহিদ হাসান  তার নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্টে করে লিখেছেন –

১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সৈয়দের গাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছি। তখন প্রধান শিক্ষক ছিলেন আঃ করিম স্যার। আর সভাপতি হিসাবে পেয়েছিলাম মরহুম মোঃ সোবাহান হাওলাদার কাকাকে। আমার জানামতে ও দেখামতে দু’জনেই ছিলেন সত ও নিরেট ভদ্রলোক। তাদের ব্যাপারে কখনও কোনো প্রকার দূর্নীতির কথা শুনিনি।

এবার আসি আসল কথায়। এসএসসির পর থেকে গ্রামে বেশি একটা থাকা হয়নি। কাজের প্রয়োজনে বেশির ভাগ সময়ই শহরে থাকতে হয়েছে। তাই আনোয়ার স্যার সম্পর্কে আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছুই জানিনা। কিন্তু তার নিকট অধ্যায়নরত প্রাক্তন ছাত্ররা তার দূর্নীতি নিয়ে একেরপর এক অভিযোগ করতেছেন।

তাই এলাকার যুব সমাজ তথা প্রাক্তন ছাত্রদের সাথে আমি একমত পোষন করে স্যারকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি আত্ব-সন্মান থাকা অবস্থায়ই স্ব-সম্মানে পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করছি।

এবং ঐ স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিজেদের ফেইসবুক আইডি থেকে পোস্ট করে প্রতিবাদ করেন তাদের লেখা হুবহু তুলে ধরলাম-

একটা বিষয় সকলের অবগত হওয়া উচিত, ইদানিং ফেসবুকে সৈয়দের গাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আনোয়ার হোসেন স্যারের পদত্যাগ নিয়ে আন্দোলনের শামিল হয়েছি। আন্দোলন এখনো চলমান।

 

কিন্তু একটা বিষয় ক্লিয়ার করা উচিত, এটা আমাদের কারো ব্যক্তিগত স্বার্থ না, স্কুলের স্বার্থে, ঐতিহ্য রক্ষার স্বার্থে, এলাকার গণ্যমান্য যুবসমাজ এবং প্রাক্তন ও চলমান ছাত্র-ছাত্রীদের সকলের একটাই চাওয়া প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ হোক।অতএব, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করবেন না।

একটা বিষয় খেয়াল করলাম যে ফয়সাল খান কে ব্যক্তিগতভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতেছেন, যদি এটা মনে করেন যে তাকে বিভ্রান্ত করতে পারলে আপনাদের স্বার্থ হাসিল হবে সেটা ভুল। তাহলে প্রত্যেক বাড়ি থেকে আপনার একজন করে নিতে হবে। আপনি কাকে বাছাই করবেন? সুতরাং এসব অসম্ভাব্য পরিকল্পনা বন্ধ করুন। এইসব পরিকল্পনার তারাই করে যাদের মধ্যে দুর্বলতা আছে, তাহলে কি স্বীকার করে নিচ্ছেন যে আপনারা সবাই অপরাধী? এত ভয় পাচ্ছেন কেন যদি সত্যতা থাকে?

অতএব,এটা এখন সকলের চাওয়া। প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের আন্দোলন চলমান এবং এটা খুব দ্রুত প্রতিহত করবো। ইনশাআল্লাহ ✊

তবে ফেজবুকে তাদের পোস্টে  দেখা যায়, কমেন্ট করেছে অসংখ্য মানুষ লিখেছেন দূরত্ব সময়ের মধ্যে দূর্নীতিবাজদের হাত থেকে স্কুল মুক্ত করতে চান। আবার অনেকে কমেন্ট করেছেন প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি প্রাক্তন।

 

তবে এই বিষয়  প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগের তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটি সংযোগ দেয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)