বরিশাল প্রতিনিধিঃ মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার গুলোতে গড়েওঠা মুদি দোকান গুলোতে ড্রাগ লাইসেন্স ও দক্ষতা বিহীন যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে মেডিসিন। ড্রাগ লাইসেন্স সহ সরকারের নিদের্শনা উপেক্ষা করে দোকান গুলো ঔষধ বিক্রির ফলে মানব দের ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসার সাথে সংশ্লিষ্টরা। এমন ঔষধ গ্রহণের ফলে মানুষের শরীরে নানা ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।
গ্রামের মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের পূর্ব হোসনাবাদের কাশেম বাজারের ইমাম ভ্যারাইটিজ স্টোর
ইমাম হোসেন খান সহ উপজেলার সব হাট বাজার গুলোতে এমন ব্যাবসা জমজমাট ভাবে চালাচ্ছে অসাধু ব্যাবসায়ীরা। অতি লোভী মুদি ও কসমেটিকসের দোকান মালিক মুলাদী উপজেলার সফিপুর, বাটামার নাজিরপুর, মুলাদী ও কাজিরচর ইউনিয়নের হাট বাজার গুলোতে গ্রাম্য চিকিৎসার নামে নাম সর্বস্ব ঔষধ ধরিয়ে দিচ্ছে মানুষ কে আর দাম কম হওয়া ও দক্ষ ড্রাগ লাইসেন্স আছে এমন ফারমাসিস্ট কিংবা চিকিৎসকের কাছে শরণাপন্ন না হওয়ার ফলে মানবদের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগ বাসা বেধে চলছে।
যা উত্তরনে এসব মুদি দোকানি সহ অন্য অন্য দোকান গুলোতে সরকারের ঔষধ বিক্রি তদারকি ড্রাগ কর্তৃপক্ষ ঔষধ বিক্রি বন্ধ করবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।এ ব্যাপারে ইমাম ভ্যারাইটিস স্টোর মালিক ইমাম হোসেন জানান, আমি গুরুত্বপূর্ণ কোন ঔষধ বিক্রি করি না শুধু গ্যাস্ট্র ব্যথা জ্বর ও ব্যান্ডেজ বিক্রি করি