সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ও একাধিক অনলাইন পত্রিকায় “বিচার-সালিশে সাক্ষী দেওয়ায় রাস্তা বেড়া দিয়ে বন্ধ, ১২ পরিবার অবরুদ্ধ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রাস্তা বন্ধ, গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সারোয়ার হোসেন।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৪০ বছর ধরে স্থানীয়রা ব্যবহার করে আসা একটি রাস্তা আমি বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি। প্রকৃতপক্ষে উক্ত জায়গাটি আমার নয়; এই জায়গাটি নাসিমা বেগম, আলমগীর হোসেন ও তানজিলা হক আখির যৌথ সম্পত্তি।উদ্দেশ্য পুরনোদিতভাবে ওই সম্পত্তিটি আমার আর নামে বলে নিউজে উল্লেখ করা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। কাউকে অবরুদ্ধ করা বা সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে কোনো কার্যক্রমের সাথে আমি সম্পৃক্ত নই। এ ব্যাপারে আমাকে কেন জড়ানো হয়েছে? আমি অবগত নই!
প্রতিবেদনে বিচার-সালিশে জরিমানা এবং সেখানে সাক্ষী দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমার সঙ্গে বিরোধের যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, সেটিও একপাক্ষিক অভিযোগের ভিত্তিতে তুলে ধরা হয়েছে। আমার বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই না করে এবং ঘটনাস্থলের প্রকৃত অবস্থা ও সম্পত্তির মালিকানা-সংক্রান্ত বিষয় যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করায় আমার সামাজিক মর্যাদা ও সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ ছাড়া আমার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি, হত্যার হুমকি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করা হয়েছে, যার কোনো সত্যতা নেই। এসব গুরুতর অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদনে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বা স্বাধীন সূত্র উপস্থাপন করা হয়নি।
আমি মনে করি, একটি জাতীয় দৈনিকে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ, তথ্য যাচাই এবং ঘটনাস্থলের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা সাংবাদিকতার দায়িত্বের অংশ। কিন্তু প্রকাশিত প্রতিবেদনে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
অতএব, প্রকাশিত সংবাদের অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও একপাক্ষিক অংশের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করছি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত তথ্য পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হোক এবং আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে যথাযথ সংশোধনী প্রকাশ করা হোক।
সরোয়ার হোসেন
বরছাকাঠী, সোহাগদল, নেছারাবাদ, পিরোজপুর।