খুলনা, ১১ অক্টোবর ২০২৫: খুলনার দৌলতপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন মন্ডল জুট টেক্সটাইল মিলের কলোনিতে নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ বছর বয়সী শিশু জিসানের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ও দিঘলিয়া থানা পুলিশ।
নিহত জিসান (৭) মন্ডল জুট মিলে কর্মরত আলমগীর হোসেনের ছেলে। তারা মিলের কলোনি এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৯ ই অক্টোবর জিসান বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজি ও স্থানীয় পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেও শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
আজ (১১ অক্টোবর) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৌবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা ও দিঘলিয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে দৌলতপুর খেয়াঘাট সংলগ্ন একটি আলিশান বাড়ি থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে সুএে যানা জায় আব্দু হান্নান এর পুএ ফয়সাল কে খালিশপুর থানা পুলিশ আটক করে এবং তার দেওয়া তথ্য মতে শিশু জিসান এর লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, বাড়ি তে বসবাস করতেন মোঃ আব্দুল হান্নান শেখ নামের এক যুবক, যার দৌলতপুর খেয়াঘাট এলাকায় একটি মুদি দোকান রয়েছে। ঘটনার পর থেকে দোকান বন্ধ এবং বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
উদ্ধারকৃত মরদেহটি বাড়ির এক কোনায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা ছিল। শিশুটির দুই হাত পেছনে বাঁধা অবস্থায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
নৌবাহিনী ও দিঘলিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তবে অপহরণকারীরা কোনো মুক্তিপণ দাবি করেনি বলে পরিবার জানিয়েছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক ও ক্ষোভের ছায়া। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে এ ঘটনায় আব্দুল হান্নানের পুত্র ফয়সাল (২৫) কে খালিশপুর থানায় আটক করেছে এবং তার দেওয়া তথ্য মতে শিশু জিসান এর লাশ উদ্ধার করা হয়।