1. admin@dailyajkershironam.com : Ajker Shironam :
  2. adminrabiul@gmail.com : Md Rafiqul Islam : Md Rafiqul Islam
  3. dainikajkershironamnews@gmail.com : Rabiul Islam : Rabiul Islam
  4. newsroomajkershironam@gmail.com : Adminnews Room : News Room
  5. ajkershironam24news@gmail.com : Nusrat Rita : Nusrat Rita
  6. rabiulislam2024bd@gmail.com : Raja Babu : Raja Babu
  7. bdbartaonline@gmail.com : Moni : Moni
  8. konikabd2024@gmail.com : Sumaya Aktar Mow : Sumaya Aktar Mow
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের বারবার রাস্তায় নামতে হয়েছে কেন - দৈনিক আজকের শিরোনাম
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজনীতির দ’খলে জনজীবন, ব’লি হচ্ছে সাধারণ মানুষ কাউখালীতে আগাম লাউ চাষে বাম্পার ফলন: কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক, এলাকায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত মামুন খান লক্ষ্মীপুরে মোটরসাইকেল ফেরত চাওয়ায় মা’রধরে ব্যবসায়ীর মৃ’ত্যু পোশাকশ্রমিকদের বি’ক্ষোভ: মিরপুরে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বি’ক্ষোভ-অ’বরোধ, ভা’ঙচুর অর্ধশতাধিক যানবাহন-দোকানপাট মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখতে হবে যেভাবে ইসলামী আন্দোলন রাজনীতিতে এক শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে : চরমোনাই পীর ইয়েমেনে হুতিদের স্থাপনায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হা’মলা ফেসবুকে পুলিশের গাড়িতে আ’গুন দেওয়ার স্বীকারোক্তি, যুবক আ’টক গাইবান্ধায় ধ’র্ষণের অ’ভিযোগে মাদ্রাসা পরিচালক গ্রে’প্তার

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের বারবার রাস্তায় নামতে হয়েছে কেন

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • Update Time : সোমবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৫০ Time View

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের বারবার রাস্তায় নামতে হয়েছে কেন

নিজস্ব প্রতিবেদন : ঢাকার একাধিক সড়ক অবরোধ করে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে সরকারকে কয়েক ঘণ্টার আলটিমেটামের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অধিভুক্ত সাত কলেজ আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আপাতত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে পরিচালনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে আবারো রাস্তায় নেমে আসার প্রেক্ষাপটে এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠছে গত কয়েক বছর ধরে এসব কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিরতিতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে কেন?

কারও কারও ধারণা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোর বাইরের কিছু বিষয়ও মাঝে মধ্যে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামার বিষয়ে ভূমিকা রেখেছে এবং এর কোন কোনটির মধ্যে শিক্ষকদের ইন্ধনের অভিযোগও পাওয়া গেছে বিভিন্ন সময়ে। যদিও কলেজগুলোর শিক্ষকরা সবসময়ই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।

যদিও শিক্ষার্থীরা বলছেন এসব কলেজকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবি ছাড়াও বিভিন্ন সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজে এসে হেনস্থার শিকার হওয়া, রুটিন ও পরীক্ষা নিয়ে লেজেগোবরে অবস্থাসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না হওয়াটাই তাদের বারবার রাস্তায় নেমে আসার কারণ।

“অন্তত ৩৫টি দাবি করেছি বিভিন্ন সময়ে। কিন্তু কোনটিরই সমাধান হয়নি। কেউ দায়িত্ব নেয় না। ক্লাস রুটিন পর্যন্ত ঠিক মতো হয় না। এভাবে তো চলতে পারে না। এগুলো ঠিক হয় না বলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি উঠেছে এবং সেটাই সমাধান,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন চলমান আন্দোলনের সংগঠকদের একজন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ রবিন ইসলাম।

এবারের অচলাবস্থার সূচনার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদের দুর্ব্যবহারকেই দায়ী করছেন মি. ইসলাম।

রোববার সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে মি. আহমেদের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি অসদাচরণ করেছেন বলে অভিযোগ করে আন্দোলন শুরু করে ওই শিক্ষার্থীরা। মি. আহমেদ অবশ্য পরে তার ব্যবহারের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলছেন, সাত কলেজ পরিচালনায় যথাযথ মনোযোগ না দেয়ার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতার ঘাটতির কারণেই বারবার সংকট তৈরি হচ্ছে এবং এসব সংকটের জের ধরেই নিয়মিত বিরতিতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামছে বলে মনে করেন তিনি।

এসব বিষয়ে দুটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি। আর একটি কলেজের অধ্যক্ষ নাম না প্রকাশ করার অনুরোধ করে শুধু বলেছেন ‘স্বনামধন্য এই কলেজগুলোর সুনামের প্রতি সুবিচার করা হলে বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হতো না’।

যে প্রশ্নের কোন উত্তর নেই
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৭ সালে সাতটি কলেজকে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়েছিলো- সেই প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য জবাব নেই কারও কাছেই।

বরং অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ডঃ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ গত নভেম্বরে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় বলেছিলেন যে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার সিদ্ধান্তটি ছিলো অপরিণামদর্শী। অপরিকল্পিতভাবে অধিভুক্ত করার ফলে শুরু থেকেই কলেজগুলোতে নানা সমস্যা ও সংকট লেগে রয়েছে’।

জনশ্রুতি আছে তখনকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হারুন-অর-রশীদের মধ্যকার ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরেই তখন ওই সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেয়া হয়।

যদিও তখন আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো।

“এই আট বছরেও সাতটি কলেজের পরিচালনায়, বিশেষ করে ভর্তি, পরীক্ষা, কলেজ পরিদর্শন, মূল্যায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিষয়ে সক্ষমতার পরিচয় দিতে পারেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,” বলছিলেন তিতুমীর কলেজের একজন শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম।

এমনকি এই আট বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে অধিভুক্ত কলেজগুলোর জন্য আলাদা কোন সেল বা ডেস্ক খুলতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এমনকি প্রশাসনিক ভবনে আলাদা কোন শাখাও নেই যেখানে এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা গিয়ে দ্রুত সেবা পেতে পারে।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলছেন ‘লোকবলের ঘাটতি তো আছেই, তবে এর চেয়ে বড় সংকট হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দায়িত্ব নিয়েও এসব কলেজগুলোর দিকে যথাযথ মনোযোগ দেয়নি বলেই দিনে দিনে সংকট বেড়েছে’।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Daily Ajker Shironam
Theme Designed BY Kh Raad (Frilix Group)